চৌদ্দগ্রামে চলছে পতিতা ব্যবসা,আটক করছে পুলিশ!


কেউ জীবিকার তাগিদে আর কেউ পাশবিক মনের কামুক তাড়নায় জড়িয়ে পড়ছে ভয়ংকর ব্যাভিচার পতিতা ব্যবসায়।বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এই ব্যবসা গোপনভাবে চললেও,চৌদ্দগ্রামের মতো উপজেলাতে এমন ব্যভিচার চলবে তা বিশ্বাস করতে পারেনি অনেকেই।কিন্তু অপরাধ প্রবনতায় জড়িত একটি মহলের কারণে এমনটাই ঘটেছে।

সম্প্রতি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি ভাড়া ঘর থেকে মো. জাকির হোসেন (৩৫) নামে এক খদ্দেরসহ ২ পতিতাকে আটক করেছে পুলিশ।জিজ্ঞাসাবাদ তথ্যসুত্রে জানা গেছে জাকির চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফেলনা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। এছাড়াও আটককৃত ২ পতিতা হলো: উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের মাসকরা গ্রামের মৃত হানিফ মিয়ার মেয়ে উম্মে ফাতেমা পান্না এবং আরেকজন কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর খালপাড়ের নিবুল গ্রামের মরিয়ম বেগম (৩০)।

চৌদ্দগ্রাম থানা সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে আটটার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে এসআই মো. ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স চৌদ্দগ্রাম বাজার জামে মসজিদ সড়কের লক্ষীপুর মসজিদ পাড়ার মো. আক্তার হোসেনের ভাড়া ঘর থেকে তাদেরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অপকর্মের কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে বক্তব্য দেয়। পরে শনিবার ২৯০ ধারায় তাদেরকে আটক দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এ বিষয়ে এসআই মো. ফরিদ মিয়া জানান , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে খদ্দেরসহ ২ পতিতাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। শনিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এছাড়াও ধারনা করা হচ্ছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আনাচে কানাচে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা ভাড়াঘরগুলো হয়তো ব্যভিচারের ব্যবসাকেন্দ্র হয়ে উঠছে।এ বিষয়ে ভাড়া বাড়ির মালিককে আরো সচেতন ও অনুসন্ধ্যানমুখী হতে হবে।প্রয়োজনে আইন প্রশাসনের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে।

0/কমেন্ট করুন